নতুন অণূণূ কাব্য

১-

ধুর ভাল্‌ লাগেনা

রাস্তায় খাড়াইলে সিএন জি পাইনা

সরকারে সব দ্যাখে খালি …

আমার দুঃখ দ্যাখেনা।

২-

দৌড়ের উপর থাকি আমি

বাদ হইসে আলতু ফালতু কাম,

ভুইলা গেসি আড্ডাবাজি

আহা আগে  কি সুন্দর দিন কাটাইতাম।

Comments (2)

অণূণূ কাব্য

১—  

তুমি বল গাড়ি চাই, আমি চাই প্রেম
তোমার কোর্টে বল থাকে,
আমি নিশ্চুপ
তুমি একাই খেলো গেম্‌।

২—  

ঠান্ডা ভরা ঠান্ডা সময়
শুধু ঠান্ডা নাই বাজার,
ঠান্ডা আছে পথে, ঠান্ডা আছে ঘাটে
শুধু ঠান্ডা নাই মাথা, মুখটা বেজার।

Comments (3)

বীর জনতা

টিভিতে সবাই মজা করে মিটিং দেখি। ওমা কত্তো লোক । পত্রিকায় মহা মহা শিরোনাম।  সবার মনে মনে চলে- ” এবার ও-পার্টি বোধহয় জিতেই নিলো বলে” ।  এর মধ্যে একটা তথ্য আমরা কেন জানি মিস করি। পত্রিকায় লিখা হয়না কখনোই। আমরা জেনেও না জানার ভান করে খুব মজা পাই। সেটা হচ্ছে মিটিং এ লোক আনার জন্য কি রকম খরচ হল।
একই লোক কিন্তু দুই বড় জোটের মিটিং এই যাচ্ছে। তার জন্য বড় বাস ফ্রি। টুকটাক খাওয়া দাওয়া ও ফ্রি বৈকি। এই সপ্তাহে পরপর দুই দিন মিটিং হলো বলে এসব প্রফেশনাল জমায়েতকারী লোকজনের তো একদম পোয়া-তেরো অবস্থা। ভালোই কামাই হলো এ যাত্রায় ।
দায়িত্বপ্রাপ্তদের দায়িত্ব আসলে একটাই- বাস যাতে ভর্তি হয়। ভরা বাস নিয়ে সমাবেশ স্থলে আসবেন এরপর চলে যাবেন। পরে সেরে নেবেন টাকা পয়সার লেনদেন।  লে হালুয়া।

মন্তব্য করুন

জীবন থেকে (দেয়া) নেয়া

বাঘের খাঁচা থেকে বের হবার পর খুব সিরিয়াস হয়ে গেছি। রাস্তায় সুন্দরী দেখলেও ফিরে চাওয়ার ফুরসত পাই না। রস কষ সিঙ্গারা বুলবুলি মোশ্তাক একদম উধাও। কি যে করি। ভেবেছিলাম যাবতীয় সাধনা-২ লিখে এই বন্ধ্যাত্ব ঘোচাবো। কেন জানি সেটিও হচ্ছেনা।
খুব যে ব্যস্ত আছি তাও ঠিক না। তবে একটু একটু টাকা টাকা রোগে ধরেছে বলে বোধ করছি। মনে মনে খালি টেকা গুনি।
শীতকালীন হাওয়া বাতাস গায়ে লেগে বড়োই জালাতন করছে। সন্ধায়র কাবাবের গন্ধে আমার ধানমন্ডি মৌ মৌ।
এক জুনিয়র কাজিন ব্রাদার কে নর্থ সাউথ এ ভর্তি হবার ব্যাপারে ব্যাপক উত্‌সাহ দিতেসি। কি সব বুয়েট,ঢাকা ইউনি তে ভর্তি নিয়ে চিন্তা। নর্থ সাউথে গেলে লাইফ ও শাইন চোখ ও শাইন। প্রথম দিন থকেই চোখ জ্বলজল করবে। চোখ বন্ধ করলেই কিছু একটা মিস। আমার প্রথম যৌবনের প্রারম্ভে অবশ্য শুনতাম আই ইউ বি তে সৌন্দর্য চর্চা সবচেয়ে ভালভাবে হয়। কিন্তু তাতে নর্থ সাউথের আভিজাত্য ম্লান হয়না।
দুটোর কোনটাতেই যাবার সৌভাগ্য আমার হয়নি। সামনে দিয়ে গিয়েই আমি মোটামুটি ইম্প্রেস্‌ড। এ প্রসঙ্গে আমার এক ফ্রেন্ডের একটা কুয়োট না দিলেই নয়…………
” নর্থ সাউথের লিফটের ডোরম্যান হলেও শান্তি ”
হেহে বড়ই সুন্দর কথা। আমি মাঝে মাঝে ভাবি আসলে পাব্লিক আর প্রাইভেট এই ভারসিটিএর মেয়েদের আসলে পার্থক্য কোথায় ? পুরোটাই সাজগোজে । একই চেহারার একটি মেয়ে নর্থ সাউথে পড়লে একরকম আর বুয়েটে পড়লে মাশাআল্লাহ আরেকরকম। বুয়েট কন্যা চুলে কালার করার আগে ভাবে ধূর টাইম লস। আর নর্থ সাউথ…চুলে কালার না করলে ইউনি যাবার কথা চিন্তাই করতে পারেনা।
পাব্লিক প্রাইভেটের এর পার্থক্যের ব্যতিক্রম ও দেখসি।
তবু মোটামুটি এই হইতেসে কমন কাহিনী।

Comments (5)

বাঘের খাঁচায় কয়েক ঘন্টা

আজিকে কমলা বর্ণের একটা ভবন ঘুরে আসলাম। ভিতরে যাই দেখি সবই কমলা। সোফা ফ্লোর ইত্যাদি। আবার জায়গায় বেজায়গায় বাঘের থাবা আঁকা স্টিকার।

যাই হোক বাংলা লিঙ্কে গেলাম ইন্টারভিউ দিতে। চারতলায় উঠে বসে থাকলাম ১ ঘন্টা। আহা কি মধুর সে বসে থাকা। আমি জানতাম ওটা পুরোটাই ইঞ্জিনিয়ারিং সেকশান। তাই অবাক হলাম শুরুতে। এতো গ্ল্যামার ওয়ালা মেয়েমানুষ কোথা হতে এলো। এদের বর্ণনা দিলে অনেক হয়ত মাইন্ড করে বসতে পারেন। কেউ ভাবতে পারে আমাকে অসভ্য। কিন্তু কি করা ! যে কেউ ওখানে গেলে এমন্টাই ভাব্বে। যাই হোক আমার ইঞ্জিনিয়ার বন্ধু গণের কাছে পরে জানতে পারলাম এরা করপোরেট সেল্‌স ডিপার্টমেন্টের লোকজন (মেয়েজন)। দুই একজনের সাথে চকিত চোখাচোখির চেষ্টাও করলাম। আমার নিষ্পাপ মুখমন্ডলে তারা কি দেখলো কে জানে। কিন্তু আমি ক্ষান্ত দেই নাই ওই এক ঘনটার এক মুহূর্তও।
তবে একটা দুঃখ , শীতকালে কেন গেলাম। এই শীতকালে তাদের যেভাবে দেখেছি, আফসোস টা হতেই পারে। গরম কালে ও যাওয়া দরকার বেশি বেশি। আমার বন্ধুদের মতে গরম কালে উহারা
কে কার চেয়ে স্বচ্ছ হতে পারে তা নিয়ে প্রতিযোগীটায় নামে। মনে হয় বুঝাতে পেরেছি এর মানে কি।
চাকুরি হবেনা জানি আমি কিন্তু এই যে মধুর কিছু মুহূর্ত পার করে আসলাম এগুলো আমার জীবনে বারংবার আসুক।
বলাই বাহুল্য আমার যময ব্রাদার AS …. ওয়ারিদ এর কর্মরত পাখীদের নিয়ে অনেক গলপ সল্প করেছিল । ভাবছি সেখানেও একবার ডাক পেলে মন্দ হতোনা।

Comments (2)

টুকরা করতেসি আমাকে

আমি টুকরো ভাবনায় বেজায় মজে আছি ।
আজকের টুকরো ভাবনা গুলো…
ক> স্টার মুভিজ এ ম্যারাথন জেমস্‌ ভন্ড মুভি দেখাইতেসে। কি যে বিরক্তিকর। যখনি খুলি তখনি শুনি…  আমি ভন্ড , জেমস্‌ ভন্ড।
খ> ভাবনা হযবরল হয়ে যাচ্ছে। একদম গুবলেট।
গ> কোন এক কবি লিখে গিয়েছিল…
তোমাকে ভালবেসে পেয়েছি অনেক কিছুই
ভালবাসা ছাড়া প্রায় সবকিছুই।
ঘ>আমার এক প্রাচীন পরিচিত লোকের ঘরের দরজায় লেখা দেখেছিলাম
“আমার ঘর আমার বেহেশ্‌ত”
দারুন আইডিয়া।
চ> অণুকাব্য নিয়ে ভাবছি। শায়েরি জিনিস টা  বেশ।
ছ> উন্মাদে প্রকাশিত একটা কথা মনে পড়লো …
” কত ধানে কত চাল এবার তুমি বুঝবা বাপধন। ”
অনুবাদঃ how many rice in how many paddy now you will understand daddy.
জ> অর্থহীন ব্যান্ডের লিরিক্‌স শুনলেই আমার হাসি পায় । ওরা যেকোন বাক্য পেলেই ছন্দ মিলিয়ে দেয়। যেমন,
” তোমার বাগান টা সাজিয়ে রেখোওওওওওওও
ঐ মেঘ গুলো শুধু ডেকোওওওওওওও”
বাহ ! ওওওওও  দিয়ে মিলিয়ে দিলো ।
এ মনে হয় গদ্য গান।
ঝ> আমার খুব প্রিয় দুটি লাইন…
“সূর্য খাচ্ছে মেঘের ভূরু , মেঘ খাচ্ছে হাওয়া,
তোমার সাথে ঘুরতে ঘুরতে আমি অস্ট্রেলিয়া।”

মন্তব্য করুন

হিউমার বনাম টিউমার

আমি ভাবনা বাদে শুধু চিন্তা করে বের করেছি যে আপামর জনতার হিউমারে বড় ধরণের টিউমার আছে অথবা টিউমার টি আমার নিজের। এই হিউমারে টিউমার সংক্রান্ত আমার প্রথম অভিজ্ঞতা জীবনে র প্রথম এবং শেষ এবং একমাত্র নাটক নিয়ে বুয়েটে লাফালফি করতে গিয়ে। স্টার ওয়ার্স,  ম্যাট্রিক্স, মিশন ইম্পসিবল এসব ডিফিকুল্ট ছবি যে জনতা মনোযোগ দিয়ে দেখেনা তা আমি জানতুম না। মাইরি বলছি। নচেৎ আমি অবশ্যি দিলদার বা টেলি সামাদ টাইপের কৌতুক সেখানে জুড়ে দিতাম। যাই হোক সে অনেক দিন আগের কথা। বাংলা বিহার ঊড়িশ্যায় তখন মূঘল বংশের রাজত্ব। লর্ড কর্ণওয়ালিশের ওয়ারিস নবাব সিরাজুদ্দৌলা কেও কবর খুঁড়ে বের করে এনেছিলাম আমার নাটকে। সিরাজুদ্দৌলা সিনেমার সেই বিখ্যাত ডায়লগ টা দিতেও ভুলিনি।
এখনো চিন্তা করি কত কিছু হজম করাতে চেছিলুম…  সংশপ্তক, ম্যাট্রিক্স, মিশন ইম্পসিবল, স্টার ওয়ার্স। হিন্দি ছবির………can you repeat the question please ? …এটাও পুরে দিয়েছিলাম।
এরপরেও কেউ মজা পায় নাই।
আসলে কাতুকুতু যে কিছু ছিলনা।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে কাতুকুতু কি?
কাতুকুতু মানে ধ্যারধ্যার করে প্যান্ট পরে যাবে, অভিনেতা লজ্জা সম্বরণের আপ্রাণ চেস্টা করবেন ইহাই কৌতুক। রাস্তায় কলাতে আছাড় খাবেন …আহাহা কি মজা!
কাতুকুতু মানে বদনা নিয়ে দৌড়াদৌড়ি স্টেজে।
কারণ টয়লেটে সিরিয়াল।
মজা করতে গিয়ে দুঃখের কথা লিখে ফেল্লাম।

মন্তব্য করুন

একটি গানের কিছু কথা

ঝিনুকে মুক্তো হলে চুপ হয়ে যায় মুখ খোলেনা…
সে যে গভীর জলে যায়গো চলে কিনার দিয়ে আর চলেনা।
ব্যাঙ্গের মাথায় লাল হইলে দিবসে সে নাহি চলে
গরুর মাথায় গো রস হইলে লম্ফ ঝম্ফ আর থাকেনা।

Comments (1)

যাবতীয় সাধনা-২

ইদানিং ইঞ্জিন ইয়ার হওয়াটা উদযাপন করিতেছি।

বুয়েট আছিলো আমার জীবনের এক বিরাট পেইন। আমার মতন মহাত্মা গোছের এমন একজন কি করিয়া অমন যান্ত্রিক জায়গায় পতিত হইলো তা আমি ভুলিয়া গিয়াছি। আমার মনে পড়িয়া যায় সেই কালো রাতের কথা যে রাতে বুয়েটের কম্পু ইঞ্জিন্ ইয়ার রিং ডিপার্টমেন্ট এর ১২০ তম অর্থাৎ সর্বশেষ ব্যক্তি হিসবে বুয়েটে আমার আগমন হইয়াছিল।  পরে খোঁজ নিয়া জানিয়াছিলাম ১২১ তম ব্যাক্তি পরে এক সপ্তাহ যাবৎ দুঃখ জনিত কান্নাকাটি করিয়াছিল। যদিও বর্তমানে ইলেক্ট্রিকাল এর জোয়ারে তাহার এখন রমরমা অবস্থা।

যাহাই হঊক নিজের কথাতে ফিরিয়া আসি। বুয়েট ভরতির প্রথম টার্মের সময়েই আমি বুঝিতে পারিয়াছিলাম আমার দ্বারা এই কার্য হইবেনাকো। ভাবিয়াছিলাম এন এস ইউ তে অর্থনীতি বিভাগে পড়িবো। কিন্তু লোক লজ্জার ভয়ে সেই কার্যটি সাধন করিতে পারি নাই।
এরপর আমার জীবন কাটিয়াছে কিভাবে এক লাইন প্রোগ্রামিং কোডও নিজে না লিখিয়া বুয়েট পার করা যায় তাহার নানা ফন্দি ফিকির বাহির করিতে করিতে। এই বিদ্যায় বর্তমানে আমার ব্যাপক ব্যুৎপত্তি । ভাবিতেছি জুনিয়র দের নিমিত্তে কোন ম্যানুয়েল লিখিয়া  যাইবো কিনা।

আমি একজন সাধু সন্ন্যাসী গোছের মানুষ হওয়াতে ৫ টি বছর অনেক সহ্য করিতে করিতে পার করিয়া দিয়াছি অম্লান বদনে। অনেক কটু কথা শুনিয়াছি অনেক লাঞ্চনা গঞ্জনা সহ্য করিয়া অবশেষে আমি ইঞ্জিন ইয়ার নামটি অন্তত অর্জন করিয়াছি। কিন্তু বুয়েট নামের দুর্বিষহ স্মৃতি খোদ দোযখেও আমার ঘর খানি আলোকিত করিয়া রাখিবে।

বলাই বাহুল্য আমার দুঃস্বপ্নে আমি প্রায়শই একটি দৃশ্য দেখি …।।যেখানে একটি রচনা আমাকে লিখিতে হইতেছে.. title: A (পেইনফুল)  journey THROUGH BUET.

Comments (4)

আবারো রস আসিতেসে

লেখায় হাসি নাই , মজা নাই।
মজা আসিতেছে। রস আসিতেছে।

মন্তব্য করুন

« Newer Posts · Older Posts »