পঁচা অনূনূ কাব্য ২

রোদে পুড়ে হইতেসি তামা
ঘরে থাকেনা বিদ্যুত মামা
তবু বলি ভাই, জীবন!
খারাপ থাকাথাকি একটু থামা।

Comments (1)

পড়া মর্শ

চিকেন খাইনা ভয়ে
লাফাইনা বাংলাদেশের জয়ে।

একটি
হৃদয়ঘটিত পরামর্শঃ

পুরুষগণ ফেয়ার অ্যান্ড লাভলি ব্যবহার বন্ধ করুন। আপনি কি গায়ের কৃষ্ণ বর্ণ নিয়ে মানসিক যন্ত্রণায় আছেন। মনে রাখবেন , সুন্দরী মেয়েরা টল ডার্ক অ্যান্ড হ্যান্ডসাম ছেলেদের পছন্দ করে। আর ফর্সা ছেলেদের দেখে তাদের মেয়েলী মনে হয়। আজই ফেয়ার অ্যান্ড লাভলী পুরুষ ভার্সন টয়লেটে ফ্ল্যাশ করুন।

মন্তব্য করুন

নতুন যা মাথায় আসিলো

১। মুরব্বিঃ  মুখরা রমনী বশীকরণ বিশারদ। (বর্ধিতকরণ)

২।

Comments (1)

নতুন অণূণূ কাব্য

১-

ধুর ভাল্‌ লাগেনা

রাস্তায় খাড়াইলে সিএন জি পাইনা

সরকারে সব দ্যাখে খালি …

আমার দুঃখ দ্যাখেনা।

২-

দৌড়ের উপর থাকি আমি

বাদ হইসে আলতু ফালতু কাম,

ভুইলা গেসি আড্ডাবাজি

আহা আগে  কি সুন্দর দিন কাটাইতাম।

Comments (2)

অণূণূ কাব্য

১—  

তুমি বল গাড়ি চাই, আমি চাই প্রেম
তোমার কোর্টে বল থাকে,
আমি নিশ্চুপ
তুমি একাই খেলো গেম্‌।

২—  

ঠান্ডা ভরা ঠান্ডা সময়
শুধু ঠান্ডা নাই বাজার,
ঠান্ডা আছে পথে, ঠান্ডা আছে ঘাটে
শুধু ঠান্ডা নাই মাথা, মুখটা বেজার।

Comments (3)

বীর জনতা

টিভিতে সবাই মজা করে মিটিং দেখি। ওমা কত্তো লোক । পত্রিকায় মহা মহা শিরোনাম।  সবার মনে মনে চলে- ” এবার ও-পার্টি বোধহয় জিতেই নিলো বলে” ।  এর মধ্যে একটা তথ্য আমরা কেন জানি মিস করি। পত্রিকায় লিখা হয়না কখনোই। আমরা জেনেও না জানার ভান করে খুব মজা পাই। সেটা হচ্ছে মিটিং এ লোক আনার জন্য কি রকম খরচ হল।
একই লোক কিন্তু দুই বড় জোটের মিটিং এই যাচ্ছে। তার জন্য বড় বাস ফ্রি। টুকটাক খাওয়া দাওয়া ও ফ্রি বৈকি। এই সপ্তাহে পরপর দুই দিন মিটিং হলো বলে এসব প্রফেশনাল জমায়েতকারী লোকজনের তো একদম পোয়া-তেরো অবস্থা। ভালোই কামাই হলো এ যাত্রায় ।
দায়িত্বপ্রাপ্তদের দায়িত্ব আসলে একটাই- বাস যাতে ভর্তি হয়। ভরা বাস নিয়ে সমাবেশ স্থলে আসবেন এরপর চলে যাবেন। পরে সেরে নেবেন টাকা পয়সার লেনদেন।  লে হালুয়া।

মন্তব্য করুন

জীবন থেকে (দেয়া) নেয়া

বাঘের খাঁচা থেকে বের হবার পর খুব সিরিয়াস হয়ে গেছি। রাস্তায় সুন্দরী দেখলেও ফিরে চাওয়ার ফুরসত পাই না। রস কষ সিঙ্গারা বুলবুলি মোশ্তাক একদম উধাও। কি যে করি। ভেবেছিলাম যাবতীয় সাধনা-২ লিখে এই বন্ধ্যাত্ব ঘোচাবো। কেন জানি সেটিও হচ্ছেনা।
খুব যে ব্যস্ত আছি তাও ঠিক না। তবে একটু একটু টাকা টাকা রোগে ধরেছে বলে বোধ করছি। মনে মনে খালি টেকা গুনি।
শীতকালীন হাওয়া বাতাস গায়ে লেগে বড়োই জালাতন করছে। সন্ধায়র কাবাবের গন্ধে আমার ধানমন্ডি মৌ মৌ।
এক জুনিয়র কাজিন ব্রাদার কে নর্থ সাউথ এ ভর্তি হবার ব্যাপারে ব্যাপক উত্‌সাহ দিতেসি। কি সব বুয়েট,ঢাকা ইউনি তে ভর্তি নিয়ে চিন্তা। নর্থ সাউথে গেলে লাইফ ও শাইন চোখ ও শাইন। প্রথম দিন থকেই চোখ জ্বলজল করবে। চোখ বন্ধ করলেই কিছু একটা মিস। আমার প্রথম যৌবনের প্রারম্ভে অবশ্য শুনতাম আই ইউ বি তে সৌন্দর্য চর্চা সবচেয়ে ভালভাবে হয়। কিন্তু তাতে নর্থ সাউথের আভিজাত্য ম্লান হয়না।
দুটোর কোনটাতেই যাবার সৌভাগ্য আমার হয়নি। সামনে দিয়ে গিয়েই আমি মোটামুটি ইম্প্রেস্‌ড। এ প্রসঙ্গে আমার এক ফ্রেন্ডের একটা কুয়োট না দিলেই নয়…………
” নর্থ সাউথের লিফটের ডোরম্যান হলেও শান্তি ”
হেহে বড়ই সুন্দর কথা। আমি মাঝে মাঝে ভাবি আসলে পাব্লিক আর প্রাইভেট এই ভারসিটিএর মেয়েদের আসলে পার্থক্য কোথায় ? পুরোটাই সাজগোজে । একই চেহারার একটি মেয়ে নর্থ সাউথে পড়লে একরকম আর বুয়েটে পড়লে মাশাআল্লাহ আরেকরকম। বুয়েট কন্যা চুলে কালার করার আগে ভাবে ধূর টাইম লস। আর নর্থ সাউথ…চুলে কালার না করলে ইউনি যাবার কথা চিন্তাই করতে পারেনা।
পাব্লিক প্রাইভেটের এর পার্থক্যের ব্যতিক্রম ও দেখসি।
তবু মোটামুটি এই হইতেসে কমন কাহিনী।

Comments (5)

« Newer Posts · Older Posts »