Archive for নভেম্বর, 2011

” আমি সমুদ্দুর দেখিনি”

বইটার পাতা উল্টিয়ে একটু দৃষ্টি
অনেক দূর এবং বহুদূর
তবু দুই মলাটের মাঝে কিছু
অদ্ভূত ফিসফাস বন্দী
তবু যেন কত শত তেপান্তর
অথবা সহস্র সমুদ্দুর।
————————-
” হয়তো রূপকথা নয়তো জীবন আমার”
পৃষ্ঠাঃ ২২ অধ্যায়ঃ ২
” আমি সমুদ্দুর দেখিনি”

Comments (7)

এক রাশ হা হুতাশের দলবল

লিখতে গেলে প্রায়ই অস্থির হয়ে যাই। অনেক কিছু লিখতে ইচ্ছা করে অনেক ভাবে। একজন খুব অস্থির, ভাবুক গোছের লোকের ক্রমবিবর্তনের গল্প, হারিয়ে পাওয়া আর পেয়ে হারানোর বৃত্তান্ত বেশিক্ষণ লিখতে ইচ্ছা করেনা। আমি সীমানা পেরিয়ে যাবার গল্প লিখতে চেয়েছি বারবার। সীমানা শুধু চলে গেছে আরো দূর।
কোত্থেকে শুরু আর কোথায় শেষ করবো বেশীরভাগ সময় হারিয়ে ফেলি। খুব হাহু তাশে ভরে যাচ্ছে এই লিখাটা। অথচ আমিতো তা চাইনা।
এই লিখায় না হয় সবটুকু হতাশা দূরে চলে যাক। কৃষ্ণচূড়ায় যখন শহর ছেয়ে যায় তখন আমারো ভালো লাগে। সেই ভালো লাগা গুলো থাকুক শব্দে শব্দে। বাতাসের ফিসফাসে যখন অনেক মনে মনে ছন্দ তখন আমিও অজানা গানে গুনগুন করে উঠি।সেই সুরের সমঝদার কেবলি আমি। মেঘের কারুকাজে যখন আকাশের কোল ঘেঁষে কর্কশ অন্ধকার তখন বৃষ্টির গন্ধে বিভোর হবার আশায় মানুষগুলো যখন তৈরি হয় আমিও তখন তৈরি হই আরেকবার, মেঘের আবেগ বোঝার চেষ্টা করি।
লক্ষ মানুষের ভীড়ে কত চেনা অচেনা মনের আনাগোনা। তবু আমার মন আমার হেঁয়ালি কবিতার দূরের মাছরাঙ্গা হয়ে উড়ে যায় দূরান্তরে। সেখানে একাই চলে তার অবাধ গুনগুন। তার গল্প মন খারাপ করা হবেনা। তার গল্পে থাকবেনা কোন না পাওয়ার ছিঁটেফোটা। দূরের মাছরাঙ্গার অলস ঘুমকাতুরে স্বপ্নে জেগে থাকবে বোম্বেটে সব আবেগ, অদ্ভূত সুন্দর কোনকিছুর প্রত্যাশায়। আমি আর তোমরা তো জানি শুধু কুয়াশার ভীড়ে সেই সুন্দর লুকিয়ে থাকে।

Comments (3)